advertisement
advertisement

শর্তসাপেক্ষে জামিনে মুক্ত দিপকেসহ সিজেপির তিন শীর্ষনেতা, আজ দুপুরে প্রেস কনফারেন্সের ডাক


আলজাজিরা নিউজ বিডি -"রক্ত চক্ষুর চাহনি? সে তো ক্ষণিকের ধোঁয়া,সত্যের শিখা জ্বলে ওঠে আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ" | প্রতিবেদক: Md. Zahangir Hasan প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ণ
শর্তসাপেক্ষে জামিনে মুক্ত দিপকেসহ সিজেপির তিন শীর্ষনেতা, আজ দুপুরে প্রেস কনফারেন্সের ডাক

সিজেপির নেতা (বাঁ থেকে) সৌরভ দাস, প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে ও আশুতোষ রাঙ্কা

advertisement

আগামী এক বছর কোনো ধরনের শান্তি বিঘ্নিত না করার শর্তে মুক্তি পেলেন ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা প্রধান অভিজিৎ দিপকে এবং দলের শীর্ষনেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সূত্রে জানা যায়, আজ রোববার নিবর্তনমূলক আটকের পর তাঁদের দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হলে সেখান থেকেই মুক্তির আদেশ দেওয়া হয়। মুক্তির পরপরই বেলা দুইটায় এক সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করা হয়েছে বলে হিন্দুস্তান টাইমসকে নিশ্চিত করেছেন সিজেপির সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা।

এর আগে শনিবার যন্তর মন্তরে দলের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে বেঙ্গালুরু থেকে মুম্বাই হয়ে দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণ করতেই এয়ার ইন্ডিয়ার উড়োজাহাজের ভেতর থেকে এই তিন নেতাকে আটক করে পুলিশ। দিপকেকে তাঁর প্রয়াত দাদির শেষকৃত্যে অংশ নিতে বাড়ি ফেরার ক্ষেত্রে সহযোগিতার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি পুলিশের। তবে সিজেপির পক্ষ থেকে অজিঙ্ক শিন্ডে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার নিজ পদ থেকে সরে না দাঁড়ানো পর্যন্ত এই আন্দোলন থেকে সরে আসার প্রশ্নই ওঠে না। এই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় সিজেপির পাশাপাশি অন্যান্য সংগঠনের পক্ষ থেকেও রোববার দিনভর সিইসিবিরোধী কর্মসূচি অব্যাহত থাকার কথা রয়েছে। এদিকে দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের আটকের ঘটনায় জাতিসংঘ উদ্বেগ জানিয়ে অবিলম্বে মুক্তির আহ্বান জানিয়েছে।

বিতর্কিত সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে অনড় থেকে সিজেপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছে, তারা কোনোভাবেই পিছু হটবে না এবং রোববার আবারও যন্তর মন্তরের উদ্দেশে মিছিল নিয়ে গিয়ে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবে। শনিবার কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকারের সর্বাত্মক প্রতিরোধ ও অবরোধের মুখেও রাজধানীজুড়ে তীব্র বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। সে সময় পিনারাই বিজয়ন, মমতা ব্যানার্জি, অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও মানিক সরকারের মতো চারজন সাবেক মুখ্যমন্ত্রীসহ প্রায় সাত হাজার মানুষকে আটক করে পুলিশ।

বিক্ষোভ দমাতে নিষেধাজ্ঞা, মেট্রো ও ট্রেন চলাচল বন্ধ, গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ব্যারিকেড, ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নকরণ এবং বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হলেও আইটিও, সাফদারজং ফ্লাইওভার ও দিল্লি হাটের মতো জায়গাগুলোতে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ঠেকানো যায়নি। উদ্ভূত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কারণে আজ রোববার সকাল ছয়টা থেকে অন্তত ৩০টি স্থানে ট্রাফিক ডাইভারশন চালু করেছে দিল্লি পুলিশ, যার ফলে নয়াদিল্লি ও মধ্য দিল্লির বড় অংশজুড়ে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এত কিছুর পরও আন্দোলনকারীরা তাঁদের দাবিতে অবিচল রয়েছেন।

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর