advertisement
advertisement

প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রস্তুতকারকদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান


আলজাজিরা নিউজ বিডি -"রক্ত চক্ষুর চাহনি? সে তো ক্ষণিকের ধোঁয়া,সত্যের শিখা জ্বলে ওঠে আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ" | প্রতিবেদক: Md. Zahangir Hasan প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪১ পূর্বাহ্ণ
প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রস্তুতকারকদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান

প্লাস্টিক দূষণ কমাতে উৎপাদনকারীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা ও পরিবেশবান্ধব পণ্য উৎপাদন নিয়ে সেমিনারে আলোচনা করছেন অংশগ্রহণকারীরা। বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে

advertisement

প্লাস্টিক বর্জ্যের দূষণ নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট পণ্য উৎপাদনকারীদের কার্যকর ভূমিকা পালনের তাগিদ দেওয়া হয়েছে এক সেমিনারে। একই সাথে এই খাতে সম্পদ সাশ্রয়ী, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব বিকল্প পণ্য তৈরির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে পরিবেশ অধিদপ্তর ও জাতিসংঘের শিল্প উন্নয়ন সংস্থার (ইউনিডো) যৌথ উদ্যোগে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, শিল্পোদ্যোক্তা এবং উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উৎপাদকের বর্ধিত দায়িত্ব বা এক্সটেন্ডেড প্রডিউসার রেসপনসিবিলিটি (ইপিআর), রিসোর্স-এফিশিয়েন্ট ও পরিচ্ছন্ন উৎপাদন এবং পরিবেশবান্ধব নকশার বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। চলতি বছরের আগস্ট মাসে সরকার প্লাস্টিক দূষণ হ্রাস ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে উৎপাদকদের একটি কাঠামোর মধ্যে আনতে ‘উৎপাদনকারীর বর্ধিত দায়িত্ব বা ইপিআর-২০২৬’ শীর্ষক নির্দেশিকা প্রণয়ন করে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক ড. মাসুদ ইকবাল মো. শামীমের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রানসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিডোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন।

কারিগরি অধিবেশনে ইপিআর বাস্তবায়নের কৌশল নিয়ে মূল উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রকল্পের জাতীয় বিশেষজ্ঞ মাকসুদ সিনহা। পরবর্তী প্যানেল আলোচনায় সরকারি কর্তৃপক্ষ, নরওয়ে দূতাবাস, বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে এই নীতি কার্যকরে বিভিন্ন অংশীজনের করণীয় নিয়ে মতামত দেন।

দিনের পরবর্তী ধাপগুলোতে কারখানায় সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার ও বর্জ্য হ্রাসের ওপর আলোকপাত করেন আকিজ প্লাস্টিকস, এক্সোপ্লাস্ট ও আরএফএল গ্রুপের টেল প্লাস্টিকের প্রতিনিধিরা। এছাড়া পরিবেশের ক্ষতি কমাতে নকশা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় রূপান্তর নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন এসিআই প্রিমিও প্লাস্টিক, প্রাণ-আরএফএল ও স্কয়ার টয়লেট্রিজের কর্মকর্তারা। ঢাকায় অবস্থিত রয়্যাল নরওয়েজিয়ান দূতাবাসের অর্থায়নে পরিচালিত ‘বাংলাদেশে টেকসই প্লাস্টিক ব্যবহার ও সামুদ্রিক বর্জ্য প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ’ প্রকল্পের আওতায় সেমিনারটি আয়োজিত হয়।

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর