advertisement
advertisement

আমলাদের বিদেশে স্থায়ী হওয়ার প্রবণতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ


আলজাজিরা নিউজ বিডি -"রক্ত চক্ষুর চাহনি? সে তো ক্ষণিকের ধোঁয়া,সত্যের শিখা জ্বলে ওঠে আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ" | প্রতিবেদক: Md. Zahangir Hasan প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ
আমলাদের বিদেশে স্থায়ী হওয়ার প্রবণতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ

advertisement

চাকরিতে বহাল থাকা অবস্থাতেই অনেক সরকারি কর্মকর্তার বিদেশে স্থায়ী আবাস গড়ার পরিকল্পনা এবং এ জন্য বিপুল অর্থ ব্যয়ের তথ্য প্রকাশ করে তীব্র সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে গত রোববার দেওয়া এক পোস্টে তিনি জ্যেষ্ঠ আমলাদের পেশাগত নিষ্ঠা ও দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন। আসিফ উল্লেখ করেন, আমলাতন্ত্রে সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিরা থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কিছু কর্মকর্তা কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের পথ বেছে নিয়েছেন।

প্রতিরক্ষামন্ত্রীর অভিযোগ, কিছু কর্মকর্তা পরিকল্পিতভাবে সরকারি দায়িত্বে থাকাকালীনই দেশান্তরী হওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে আমলাদের অভিবাসনের জন্য পর্তুগাল একটি বড় কেন্দ্র হয়ে উঠেছে, যা নিয়ে কয়েক মাস আগেও তিনি উদ্বেগ জানিয়েছিলেন। খাজা আসিফ দাবি করেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে যুক্ত ব্যক্তিরা প্রশাসনের প্রভাবশালী পদে আসীন ছিলেন এবং বিভিন্ন মেয়াদে ক্ষমতাসীন সরকারগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ থেকে বৈধ ও অবৈধ উভয় উপায়ে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিদেশে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি বা পিআর পাওয়ার আশায় বড় অঙ্কের অর্থ খরচ করা হয়েছে। এমনকি পিআর পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এক ব্যক্তি কয়েকজন প্রভাবশালী আমলার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে গেছেন বলেও জানান তিনি। আসিফ প্রশ্ন তোলেন, রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করা এসব কর্মকর্তা পাকিস্তানকে নিজেদের স্থায়ী আবাস ভাবেন, নাকি বিদেশে থিতু হওয়ার আগে এটিকে শুধুই একটি সাময়িক যাত্রাপথ মনে করেন। তবে দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে, তারা এই অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি এবং বিবৃতিতে পর্তুগালের পিআর সংক্রান্ত কোনো নাম বা প্রামাণ্য নথি দেওয়া হয়নি।

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর