advertisement
advertisement

বন্ধ কারখানা সচল করতে ২০ হাজার কোটির মধ্যে ছাড় মাত্র ৫৬১ কোটি টাকা


আলজাজিরা নিউজ বিডি -"রক্ত চক্ষুর চাহনি? সে তো ক্ষণিকের ধোঁয়া,সত্যের শিখা জ্বলে ওঠে আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ" | প্রতিবেদক: Md. Zahangir Hasan প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
বন্ধ কারখানা সচল করতে ২০ হাজার কোটির মধ্যে ছাড় মাত্র ৫৬১ কোটি টাকা

বাংলাদেশ ব্যাংক

advertisement

বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালু করার লক্ষ্যে গঠিত তহবিলের অর্থ ছাড়ে ধীরগতি দেখা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০ হাজার কোটি টাকার এ বিশেষ তহবিলের বিপরীতে বিগত পাঁচ মাসে উদ্যোক্তারা পেয়েছেন সাকল্যে ৫৬১ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ৩ শতাংশেরও কম। তবে এ খাতে আরও ৯২৯ কোটি ৫০ লাখ টাকার অর্থায়ন বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে আজ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করা হয়েছে।

দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চাঙ্গা করার অভিপ্রায়ে প্রায় পাঁচ মাস পূর্বে প্রথমে ৬০ হাজার কোটি এবং পরবর্তী সময়ে তা বাড়িয়ে ৬২ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ উন্মোচন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে পাঁচ মাস অতিক্রান্ত হলেও তহবিলটির ২০ শতাংশ বা এক-পঞ্চমাংশ অর্থও শেষ পর্যন্ত ছাড় করা সম্ভব হয়নি। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্যাকেজের আওতায় থাকা ১৫টি প্রাক্-অর্থায়ন ও পুনঃ অর্থায়ন স্কিম থেকে ১৫ অক্টোবর নাগাদ মোট ১১ হাজার ৯৫৯ কোটি ৮২ লাখ টাকা (প্রায় ১১ হাজার ৯৬০ কোটি) বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি ২ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা ছাড়ের অপেক্ষায় থাকায় বিতরণকৃত ও প্রক্রিয়াধীন তহবিলের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৫১৯ কোটি ৭৯ লাখ টাকায়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন স্কিমের মধ্যে প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট পুনঃ অর্থায়নে পুঞ্জীভূত বিতরণ দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৯১৭ কোটি টাকায়। এছাড়া কটেজ ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরিতে ২ হাজার ৫০০ কোটি, সিএমএসএমই খাতের চলতি মূলধনে প্রায় ৯০৮ কোটি, সৃজনশীল অর্থনীতি প্রকল্পে ৫০০ কোটি এবং খাদ্যনিরাপত্তা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও গ্রামীণ কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ স্কিমে ২৯৩ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। অন্যান্য খাতের মধ্যে প্রবাসী কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ২০০ কোটি টাকা, উত্তরাঞ্চলের কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র গড়ে তুলতে ৪৮ কোটি ৬৭ লাখ এবং স্টার্টআপ উদ্যোগে ৩২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। স্টার্টআপে আরও ৫ কোটি টাকা ছাড়ের অপেক্ষায় রয়েছে।

অন্যদিকে, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানে ১ হাজার কোটি টাকা, গ্রিন ফ্যাক্টরি বিল্ডিং ও পরিবেশবান্ধব শিল্পে ৫২৭ কোটি টাকা এবং চামড়াজাত পণ্য ও জুতা রপ্তানিমুখী খাতের জন্য ৯৮ কোটি টাকার অর্থায়ন অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে এই ঋণ উদ্যোক্তাদের দেওয়া হচ্ছে, যার অবশিষ্ট ৬ শতাংশ সুদ ভর্তুকি হিসেবে বহন করবে সরকার। এই সুবিধার আওতায় ২৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও পাঁচ মাস পরেও বিতরণ গতিহীন হয়ে রয়েছে। খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, কাঙ্ক্ষিত সহায়তা না পাওয়ার পাশাপাশি তীব্র জ্বালানিসংকটসহ বিভিন্ন প্রতিকূলতায় এখনো ধুঁকছে দেশের শিল্পকারখানাগুলো।

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর