advertisement
advertisement

রিয়াদে কারখানায় আগুনে নিহত নওগাঁ ও নাটোরের ৭ জনের মরদেহ আসছে শনিবার


আলজাজিরা নিউজ বিডি -"রক্ত চক্ষুর চাহনি? সে তো ক্ষণিকের ধোঁয়া,সত্যের শিখা জ্বলে ওঠে আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ" | প্রতিবেদক: Md. Zahangir Hasan প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩৭ অপরাহ্ণ
রিয়াদে কারখানায় আগুনে নিহত নওগাঁ ও নাটোরের ৭ জনের মরদেহ আসছে শনিবার

সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর পাঁচ যুবক, ডিএনএ পরীক্ষায় তাঁদের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে

advertisement

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ আগুনে প্রাণ হারানো সাত বাংলাদেশি শ্রমিকের মরদেহ শনিবার দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার প্রায় তিন মাস (২ মাস ২২ দিন) পর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত হওয়া এই মরদেহগুলো দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। নিহতদের মধ্যে পাঁচজনের বাড়ি নওগাঁয় এবং দুজনের বাড়ি নাটোরে।

পরিচয় শনাক্ত হওয়া নওগাঁর পাঁচ কর্মী হলেন—সদর উপজেলার পার নওগাঁ গ্রামের বাসিন্দা শাহিন এবং আত্রাই উপজেলার দুবাই গ্রামের হাসিবুল হাসান, মধ্যবোয়ালিয়া গ্রামের মিনহাজ প্রামাণিক, মাধবপুর গ্রামের মাসিদুল সরদার ও সাহানগর গ্রামের সাগর আলী। নাটোরের দুজন হলেন লালপুর উপজেলার দীঘিরপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ শামীম ও খাজুরা গ্রামের শরিফ হোসেন। এর আগে গত ৯ আগস্ট ওই কারখানার অগ্নিকাণ্ডে মোট ১৬ জন বাংলাদেশি নিহত হন। তাঁদের মধ্যে ৯ জনের মরদেহ গত ২৭ আগস্ট দেশে পাঠানো হয়েছিল এবং বাকি সাতজনকে শনাক্তে সময় লাগায় এতদিন পর পাঠানো সম্ভব হচ্ছে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বরাতে নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম নিশ্চিত করেন, শনিবার সকাল ৮টা ৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে মরদেহগুলো ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের শ্রম কাউন্সেলর মুহাম্মদ রেজায়ে রাব্বীর চিঠিতে জানা যায়, গত ১০ অক্টোবর থেকে রিয়াদের ফ্লাইট স্থগিত থাকায় মরদেহগুলো সড়কপথে জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে বিমানের ফ্লাইটে তোলা হয়। আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মুনিজ্জামান জানান, সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়া হয়েছে।

এদিকে দীর্ঘ অপেক্ষার পর স্বজনদের কফিন ফেরার খবরে পরিবারগুলোতে নতুন করে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। নওগাঁর পার নওগাঁ তাজের মোড় এলাকার নিহত শাহিনের স্ত্রী পারভীন কান্নাবিজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘মানুষটাক তো হারায়েই ফেলছি। যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গেছে। এখন লাশটা অন্তত দেশত থাকলে ছাওয়াল-পোয়ালরা বাপের লাশটা দেখতে প্যাবে।’ স্বজনেরা বিমানবন্দর থেকে মরদেহ বুঝে নিয়ে নিজ নিজ এলাকায় দাফন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর