advertisement
advertisement

বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় চার্চ পরিষদের প্ল্যাটিনাম জুবিলি উদযাপিত


আলজাজিরা নিউজ বিডি -"রক্ত চক্ষুর চাহনি? সে তো ক্ষণিকের ধোঁয়া,সত্যের শিখা জ্বলে ওঠে আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ" | প্রতিবেদক: Md. Zahangir Hasan প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২:০৮ পূর্বাহ্ণ
বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় চার্চ পরিষদের প্ল্যাটিনাম জুবিলি উদযাপিত

জাতীয় চার্চ পরিষদ বাংলাদেশের (এনসিসিবি) ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিথিরা। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আসাদ অ্যাভিনিউতে ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অব বাংলাদেশ (সিবিসিবি) মিলনায়তনে

advertisement

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আসাদ অ্যাভিনিউয়ে অবস্থিত ক্যাথলিক বিশপস কনফারেন্স অব বাংলাদেশ (সিবিসিবি) মিলনায়তনে এক বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হলো জাতীয় চার্চ পরিষদ বাংলাদেশের (এনসিসিবি) ৭৫ বছর পূর্তি। শুক্রবার বিকেলের এ অনুষ্ঠানে দেশে-বিদেশের সম্মানিত অতিথি, খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী প্রতিনিধি ও বিভিন্ন ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ একত্র হন। ১৯৫১ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে গত সাড়ে সাত দশকে ত্রাণ কার্যক্রম, শিক্ষা, চিকিৎসাসেবা, শান্তি স্থাপন এবং সমাজকল্যাণে ধারাবাহিক অবদান রেখে আসছে এনসিসিবি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের আবাসভূমি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান প্রশাসন এমন এক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সব ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নাগরিকেরা সমমর্যাদা, অধিকার ও নিরাপত্তা ভোগ করবেন। তিনি মন্তব্য করেন, ‘ধর্ম যার যার, ধর্মীয় উৎসব যার যার, রাষ্ট্র আমাদের সবার।’ একই সঙ্গে সব জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে একটি গণতান্ত্রিক ও উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহায়তার আশ্বাস দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃগোষ্ঠীবিষয়ক বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার জানান, সরকার প্রতিটি ধর্ম ও সম্প্রদায়ের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। এসব বিষয় লিখিত ও মৌখিক আকারে নিয়ে তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হচ্ছে। তিনি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনে ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে একজন নাগরিক হিসেবে বিবেচনার তাগিদ দেন। এছাড়া এনসিসিবির সভাপতি স্যামুয়েল সুনীল মানখিন বলেন, সূচনা থেকেই সংগঠনটি দেশে শান্তি, ন্যায়বিচার ও ঐক্য বজায় রাখার পাশাপাশি সব ধর্মের অনুসারীদের সঙ্গে পারস্পরিক সম্প্রীতি অটুট রাখতে নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করছে।

অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন দেশের ক্যাথলিক খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের কার্ডিনাল প্যাট্রিক ডি রোজারিও, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, যুক্তরাষ্ট্রের ওমনিয়া ইনস্টিটিউট ফর কনটেক্সচুয়াল লিডারশিপের সভাপতি রেভারেন্ড শান্তা প্রেমাবর্ধনা, প্রেসবিটেরিয়ান চার্চের (যুক্তরাষ্ট্র) দক্ষিণ এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বৈশ্বিক আন্তগির্জা যোগাযোগবিষয়ক কর্মকর্তা রেভারেন্ড ক্যাথরিন সুজান চ্যাং, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সহসভাপতি জন গমেজ এবং পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডেভিড অনিরুদ্ধ দাশসহ স্থানীয় ও বিদেশি অতিথিবৃন্দ।

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর