advertisement
advertisement

চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্রের ৯০ কেজির বাগাড় বিক্রি হলো ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকায়


আলজাজিরা নিউজ বিডি -"রক্ত চক্ষুর চাহনি? সে তো ক্ষণিকের ধোঁয়া,সত্যের শিখা জ্বলে ওঠে আমি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ" | প্রতিবেদক: Md. Zahangir Hasan প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ
চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্রের ৯০ কেজির বাগাড় বিক্রি হলো ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকায়

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে জেলের জালে ধরা পড়া ৯০ কেজির বাগাড়। গতকাল শুক্রবার বিকেলে উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নে

advertisement

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদে জেলে নরেন্দ্র নাথের জালে ৯০ কেজি ওজনের একটি দানবীয় বাগাড় মাছ আটকা পড়েছে। পরবর্তীতে এক ব্যবসায়ী মাছটি কিনে নিয়ে প্রতি কেজি দেড় হাজার টাকা দরে সর্বমোট ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার চিলমারীর রানীগঞ্জ ইউনিয়নের পুটিমারী এলাকায় ব্রহ্মপুত্রে জাল ফেলেছিলেন জেলে নরেন্দ্র নাথ। ওই দিন সকালেই তাঁর জালে বিশালাকার মাছটি ধরা দেয়। মাছটি বিক্রির উদ্দেশে বাজারে নিয়ে আসা হলে স্থানীয় উৎসুক মানুষ তা একনজর দেখতে ভিড় জমান। এরপর আজ শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাছটির ছবি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

মাছটি ধরা পড়ার পর থানাহাট বাজারের মাছ ব্যবসায়ী সাজু মিয়া নরেন্দ্র নাথের কাছ থেকে ১ লাখ ১০ হাজার টাকায় সেটি কিনে নেন। এরপর শুক্রবার সন্ধ্যায় চিলমারীর পাম্পমোড় এলাকায় মাছটি কেটে খুচরা ক্রেতাদের কাছে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি সম্পন্ন হয়। সাজু মিয়া প্রথম আলোকে জানান, বর্তমানে ব্রহ্মপুত্র নদে পানি হ্রাস পাওয়ায় জেলেদের জালে বাগাড়, পাঙাশসহ নানা প্রজাতির বৃহদাকার মাছ পাওয়া যাচ্ছে। বাজারে এসব মাছের বিপুল কদর রয়েছে। শীর্ষ ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, সরকারি আমলা এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিরা আগে থেকেই বায়না দিয়ে এ ধরনের মাছ সংগ্রহ করেন। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী মাছ পৌঁছে দেওয়ার বন্দোবস্তও করা হয়।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) তালিকা অনুসারে বাগাড় একটি মহাবিপন্ন জলজ প্রাণী। দেশের বন্য প্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন মোতাবেক এই মাছ নিধন দণ্ডনীয় অপরাধ হওয়া সত্ত্বেও আইনের কার্যকর প্রয়োগ না থাকায় খোলামেলাভাবেই বাগাড় শিকার ও বিকিকিনি চলছে। এ প্রসঙ্গে চিলমারী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. এমদাদুল হক প্রথম আলোকে জানান, বিশালাকৃতির বাগাড় মাছটি পাওয়ার বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন। ব্রহ্মপুত্র নদে দেশীয় বড় মাছের বংশবৃদ্ধি ও নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিতে মৎস্য দপ্তরের পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর